ঢাকা, ২১ জানুয়ারি – অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই গণভোটের প্রস্তুতি ধাপে ধাপে শুরু হয়েছে। আজ থেকেই কার্যক্রম শুরু হয়ে ১২ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ধাপ সম্পন্ন হবে। তিনি সকলকে সর্বোচ্চ মনোযোগ দিয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন যাতে নির্বাচনে কোনো ‘গলদ’ না থাকে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করাই তাদের কাজ এবং এটি জাতীয় জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। নির্বাচনের দিন সকল রকম সমস্যার সমাধান নিশ্চিত করতে হবে। এবারের নির্বাচন ভবিষ্যতের জন্য একটি আদর্শ দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে তিনি আশাবাদী।
সাইবার ও প্রযুক্তি ব্যবস্থার ব্যবহার নিয়ে তিনি উল্লেখ করেছেন, বডি ক্যামেরা, সিসি ক্যামেরা ও কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম থেকে মনিটরিং নিশ্চিত করা হবে। বাহিনীগুলোর মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখার পাশাপাশি দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকের উপস্থিতি গুরুত্বসহকারে নেওয়া হবে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা নিশ্চিত করেছেন, নির্বাচনের দিন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ হবে। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করবে।
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের আগস্টে লুট হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদের বড় অংশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং নির্বাচনের সময় জনমনে স্বস্তি নিশ্চিত করতে বাহিনীগুলো সমন্বিতভাবে পদক্ষেপ নিচ্ছে।
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সশস্ত্র বাহিনী প্রয়োজনে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে। স্বরাষ্ট্র সচিব জানান, ভোটের চার দিন আগে সব বাহিনী মোতায়েন হবে এবং ভোটের পর আরও সাত দিন মাঠে থাকবে। বডি ক্যামেরা ব্যবহার করে তথ্য মনিটরিং করা হবে এবং প্রয়োজনে ড্রোনও ব্যবহৃত হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব, নৌ ও বিমানবাহিনী প্রধান, পুলিশের মহাপরিদর্শক, বিজিবি, কোস্টগার্ড, র্যাব এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানরা।
এনএন/ ২১ জানুয়ারি ২০২৬





