‘নির্বাচন নিয়ে দেশে-বিদেশে ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত হচ্ছে’ বলে ক্ষমতাসীনদের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রুহুল কবির বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র তো আপনারাই করছেন। বাংলাদেশে ডামি নির্বাচনের আয়োজন করতে প্রতিবেশী দেশ সরাসরি হস্তক্ষেপ করছে। সরকার বাংলাদেশকে একটি দেশের করদ রাজ্যে পরিণত করেছে। জনগণ ওদের এই নীলনকশা সফল হতে দেবে না।’
ভোট বর্জনের পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে ২৬ ডিসেম্বর থেকে বিএনপি সারা দেশে গণসংযোগ ও প্রচারপত্র বিতরণের কর্মসূচি পালন করছে। এই প্রচারপত্রে জনগণকে ভোট বর্জন ও সরকারকে অসহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। ক্ষমতাসীনদের ভোটের প্রচারের মধ্যে বিএনপির নেতা-কর্মীরা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে প্রচারপত্র বিলি করছেন।
সন্ধ্যায় ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির বলেন, ভোটার উপস্থিতির অভিনব নির্বাচন দেখিয়ে গণতান্ত্রিক বিশ্বের নিষেধাজ্ঞার খড়্গ থেকে রক্ষা পেতে পুরো মাফিয়া চক্র ‘ভোটার হান্টিং মিশনে’ গলদঘর্ম হয়ে পড়েছে। এরপরও ভোটকেন্দ্রে ভোটার আসবে, এমন নিশ্চয়তা পাচ্ছে না তারা।
তিনি বলেন, নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী, ডামি প্রার্থী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন, রাষ্ট্রযন্ত্র, প্রিসাইডিং অফিসার—সব আওয়ামীময় হয়ে গেছে। তারা ছলেবলে-কৌশলে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনার জন্য মরিয়া হয়ে পড়েছে। ভোটকেন্দ্রে না গেলে হত্যা করার, গ্রামছাড়া করার, এমনকি নাগরিক সুবিধা বাতিল করা হবে বলে হুংকার দেওয়া হচ্ছে।




