আমাদের জীবন ও সংস্কৃতি সব কিছুই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছে

আমাদের জীবন ও সংস্কৃতি সব কিছুই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছে

গাজায় অন্তহীন বোমা হামলায় সব গেছে। গাজার পরিচয়বাহী সব প্রতীক, সমুদ্রতীর ও সমুদ্রতীরবর্তী অপরূপ শহর, গ্রন্থাগার, অভিলেখ্যাগার, যা কিছু অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পারত, তার সব। আমার হৃদয় ভেঙে চুরমার হয়ে যায়।

গাজার চিড়িয়াখানাটাও নেই। আমাদের চিড়িয়াখানায় নেকড়ে, হায়েনা, নানা জাতের পাখি আর বিরল প্রজাতির শিয়াল ছিল। ওরা হয় ওদের হত্যা করেছে, নয়তো জন্তুগুলো না খেতে পেয়ে মারা গেছে। শহরের প্রধান গ্রন্থাগার, শিশুদের হ্যাপিনেস সেন্টার, পৌর ভবন ও অভিলেখ্যাগার, সপ্তম শতকের গ্রেট ওমরি মস্ক—সব গেছে। ইসরায়েলি বাহিনী রাস্তাঘাট, মসজিদ, গির্জা, উদ্যান কোনো কিছুই ছাড়েনি। ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে সব।

হামাস প্রশাসন ২০১৯ সালে যখন আমাকে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব দিল, আমার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল সমুদ্রসৈকতটার উন্নয়ন করা। আমি চেয়েছিলাম শহরের এই অংশের উন্নয়ন ঘটাতে পারলে কিছু মানুষের কাজের সংস্থান হবে। চার বছর লেগেছিল প্রকল্পটা শেষ করতে। সাগরের ধার ঘেঁষে মানুষের হাঁটার জন্য একটা পথ তৈরি করিয়েছিলাম, বিনোদনের কিছু ব্যবস্থা আর ছোটখাটো ব্যবসাকেন্দ্র হয়েছিল।

Scroll to Top