আধুনিক ভারতের ক্ষমাহীন ইতিহাস

আধুনিক ভারতের ক্ষমাহীন ইতিহাস

এ ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার নির্ধারণের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তহীনতার ফলে ভারতকে বারবার আইএমএফের দ্বারস্থ হতে হয়। অশোকার বইয়ের সবচেয়ে ভালো দিক হলো, যাঁর যা প্রাপ্য, তাঁকে তা বুঝিয়ে দিয়ে সে ইতিহাসের দায় মিটিয়েছে এবং সব ক্ষেত্রেই তা করেছে দলিল ও উপাত্ত দিয়ে।

নেহরুর বিপরীত ছিলেন তাঁর কন্যা ইন্দিরা। তিনি ছিলেন স্বৈরাচারী, স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির পৃষ্ঠপোষক। তিনি জরুরি অবস্থা, নিবর্তনমূলক আইন মিসা প্রবর্তন, আদালতের এখতিয়ার সীমিত ও সংবাদপত্রের সেন্সরশিপ চালু করেছিলেন। উল্লেখ্য, মিসা পরবর্তী সময়ে ‘মেইনটেন্যান্স অব ইন্দিরা অ্যান্ড সঞ্জয় অ্যাক্ট’ নামে পরিচিত হয়। পুত্র সঞ্জয় গান্ধীর দুর্নীতিতে তিনি আশকারা দিয়েছিলেন।

তাঁকে অর্থ সরবরাহের জন্য ব্যাংক জাতীয়করণ করেছিলেন। তিনি রাজনীতিতে কালোটাকা ও পেশিশক্তিকে প্রতিষ্ঠা করেন। ইন্দিরার সময়েই ধিরুভাই আম্বানির উত্থান ঘটে। তাঁর উত্থানে সহযোগিতা করেছিলেন অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জি। প্রণবের আনুকূল্যে সরকারের নীতি নির্ধারণে ধিরুভাই একচ্ছত্র অধিকার ভোগ করেন।

ইন্দিরার একনায়কত্বের উদাহরণ আছে বইয়ে। ১৯৭১ সালে পার্লামেন্ট নির্বাচনের ইস্যু কী, জানতে চাইলে ইন্দিরা নিউজউইক-এর সাংবাদিককে বলেন, ‘আমিই নির্বাচনের ইস্যু।’

Scroll to Top