ওবায়দুর রহমান খানকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনাদের প্রাণপ্রিয় নেতা শাজাহান খান নির্দেশিত হয়েছেন যে তিনের (মাদারীপুর-৩) আসনের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার জন্য এবং প্রচার চালানোর জন্য। সেই হিসেবে আমরা কিন্তু তিনের ওপর বেশি দায়িত্ব পালন করতেছি। আপনারাও তিনে সেভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনে যদি আমরা গোলাপ (আবদুস সোবহান) ভাইকে নির্বাচিত করতে পারি, তাহলে দাদায় (শাজাহান খান) ও গোলাপ ভাই মিলে দীর্ঘদিনের জন্য মাদারীপুরকে স্থিতিশীলতায় নিয়ে আসতে পারবেন। আর যদি স্বতন্ত্র মাদারীপুর-৩-এ নির্বাচিত হন, তাহলে তাঁর কাছে আমরা যাইতেও পারব না, বলতেও পারব না, তাঁর কিছু করার থাকবে না।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেশ কয়েকজন শিক্ষক বলেন, নির্বাচনের বিষয়ে সভার কথা বলে উপজেলা চেয়ারম্যান ওবায়দুর রহমান খান হঠাৎ বাসায় ডাকেন। তিনি মাদারীপুর সদর উপজেলা শিক্ষক সমাজের সভাপতি। সভাটি হওয়ার কথা ছিল উপজেলা পরিষদে। কিন্তু সেটা না হয়ে সংসদ সদস্য শাজাহান খানের বাসায় সভা হয়েছে। তাই তাঁরা আসতে বাধ্য হয়েছেন।
মাদারীপুর-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাহমিনা বেগমের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়কারী ও কালকিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুজ্জামান শাহীন প্রথম আলোকে বলেন, মাদারীপুর-২ আসনের নৌকার প্রার্থী শাজাহান খান প্রভাব বিস্তার করে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছেন।





