অক্ষয় আরও বলেন, ‘ওখানে এখন আমাদের কেউ থাকে না। কিন্তু তবু ফ্ল্যাটটা আমি কিনতে চাই। আমার এখনো মনে আছে, বাবা সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কাজ করতেন, আমি আর আমার বোন বাবার ফিরে আসার অপেক্ষা করতাম। সেই স্মৃতিগুলো এখনো চোখে ভাসে। সেখানে একটা পেয়ারাগাছ ছিল, আমরা ফল পেড়ে খেতাম। আমি এখনো প্রতি মাসে সেখান থেকে কিছু পেয়ারা ও ফুল আনতে যাই। মন থেকে বলছি, জায়গাটার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে চাই। সেখান থেকেই তো আমি উঠে এসেছি।’
ভাড়া ছিল ৫০০ রুপি, বাবার স্মৃতিবিজড়িত বাড়িটি কিনছেন অক্ষয়





