স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর ছত্রচ্ছায়ায় এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আব্বা বাহিনী। অপর দিকে মিজানুর রহমানের পরিবার বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়। সে কারণে পরিবারটি আব্বা বাহিনীর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছিল বলে জানান স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা। এখন উল্টো আব্বা বাহিনীর অপরাধে পরিবারটির তিন ছেলেকে জড়ানোর বিষয়টিকে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দেখছেন তাঁরা।
স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আসাদুজ্জামান ও ফেরদাউসকে গ্রেপ্তারের দিন আব্বা বাহিনীর প্রধান বাছের উদ্দিনকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল হাসানের সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে কেরানীগঞ্জ থানার সামনে পরামর্শ করতে দেখা গেছে। তবে এ অভিযোগ নাকচ করে বাছের উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, মিজানুর রহমানের ছেলেদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে তাঁর কোনো ভূমিকা নেই। যেদিন তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, তিনি অন্য কাজে থানায় গিয়েছিলেন। থানায় গিয়ে দুই সহোদরের সঙ্গে তাঁর দেখাও হয়নি। তাঁর বিরুদ্ধে ঢালাও অভিযোগ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘এই পরিবার আব্বা বাহিনীর আক্রোশের শিকার। বাছের উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরেই পরিবারটির ওপর নির্মম নির্যাতন চালাচ্ছেন। এবার মামলার মেরিট (বিষয়বস্তু) নষ্ট করার পাশাপাশি নিজের ছেলেকে বাঁচাতে পরিবারটিকে হত্যা মামলায় ফাঁসিয়েছেন।’




