ভুক্তভোগীদের ‘ক্ষত’ সারেনি, রাসায়নিকের গুদাম সরেনি

ভুক্তভোগীদের ‘ক্ষত’ সারেনি, রাসায়নিকের গুদাম সরেনি

পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রাসায়নিকের গুদামগুলো এক জায়গায় আনতে শ্যামপুরে অস্থায়ী রাসায়নিক গুদাম উদ্বোধন করা হয় গত বছরের ৪ জুন। এই গুদাম তৈরি প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ রাসায়নিক শিল্প করপোরেশন (বিসিআইসি) সূত্রে জানা যায়, শ্যামপুরে মোট ৫৪টি গুদাম তৈরি করা হয়েছে। বারবার বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার পরও ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাত্র একটি গুদামঘর ভাড়া হয়েছে। এ ছাড়া দুটি প্রতিষ্ঠান ভাড়া নেওয়ার জন্য আবেদন করেছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, যে পরিমাণ গুদাম প্রয়োজন সে তুলনায় শ্যামপুরে গুদামের সংখ্যা অনেক কম। আর অস্থায়ী গুদামের যে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে, তা-ও বেশি। তবে বিসিআইসি বলছে, সার্বিক সুযোগ-সুবিধা ও বাজারদর হিসাব করেই ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।

শ্যামপুরের প্রতিটি গুদামের আকার ১ হাজার ৪৪৪ বর্গফুট। কিন্তু গুদামের জন্য বরাদ্দ অফিস, সামনের খোলা জায়গা, নিরাপত্তাচৌকি, বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র, গভীর নলকূপ, পানির ট্যাংক ইত্যাদিসহ মোট ২ হাজার ৫৬ বর্গফুট জায়গার জন্য ভাড়া দিতে হবে ব্যবসায়ীদের।

Scroll to Top