তবে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমিন উর রশিদ প্রথম আলোকে বলেন, বিএনপি ২০২২ সালে নির্বাচন করেনি। এবারও দল নির্বাচনে নেই। নিজাম তাঁর আত্মীয় হলেও তিনি নিজে দলের সিদ্ধান্ত মেনে চলেন। নেতা-কর্মীরা কারও পক্ষে থাকলে সেটি তাঁদের বিষয়।
অন্যদিকে কেন্দ্রীয়ভাবে কাউকে প্রার্থী করা হলেও কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগ বর্ধিত সভা করে তাহসীন বাহারকে সমর্থন দেয় এবং দলের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে। তাহসীন বাহার প্রথম আলোকে বলেন, ‘কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ হয়ে সভা করে আমাকে প্রার্থী করেছে।’
তবে আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা নূর উর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, নির্বাচনে কাউকে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী বলার সুযোগ নেই। কেন্দ্রীয়ভাবে দলের পক্ষ থেকে কোনো প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়া হয়নি। এই নির্বাচনে যাঁরা প্রার্থী হয়েছেন, সবাই স্বতন্ত্র। দলীয় শৃঙ্খলা মানলে কাউকে একক প্রার্থী করা যায় না।
কুমিল্লায় আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে প্রয়াত আফজাল খানের পরিবারের প্রভাব রয়েছে। কুমিল্লা শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন তিনি। তাঁর মেয়ে আঞ্জুম সুলতানা সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি ২০১৭ সালে মেয়র নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন, তবে ভোটে মনিরুলের কাছে হেরে যান। এবারের নির্বাচনে খান পরিবারের সমর্থন নূর উর রহমান পাবেন, এমন আলোচনা আছে।
কুমিল্লা সিটির মেয়র নির্বাচিত হওয়ার দেড় বছরের মাথায় গত ১৩ ডিসেম্বর মারা যান আরফানুল। তাঁর মৃত্যুতে আবার মেয়র পদে ভোট হচ্ছে।



