র্যাব বলেছে, গ্রেপ্তার ৩৬ জনের মধ্যে কিশোর গ্যাং ‘পাটালি গ্রুপের’ সদস্যসংখ্যা পাঁচজন, ‘লেভেল হাই গ্রুপের’ সদস্যসংখ্যা ছয়, ‘চান গ্রুপের’ পাঁচজন, ‘মাউরা এমরান গ্রুপের’ সাতজন এবং বাকিরা অন্যান্য গ্রুপের সদস্য।
র্যাবের দেওয়া তথ্য বলছে, সুজন মিয়ার নেতৃত্বে ‘পাটালি গ্রুপ’ পরিচালিত হয়ে আসছে। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, ডিশ ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য ১৫ জনের একটি গ্রুপ তৈরি করেন সুজন।
আর ‘লেভেল হাই গ্রুপের’ নেতৃত্ব দেন শরিফ। তাঁরা মোহাম্মদপুর, আদাবর, বেড়িবাঁধ ও ঢাকা উদ্যান এলাকায় চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতিসহ অন্যান্য সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।




