আমরা বাড়তি কিছু করতে চাইনি, গল্পের মধ্যেই থাকতে চেয়েছি

আমরা বাড়তি কিছু করতে চাইনি, গল্পের মধ্যেই থাকতে চেয়েছি

প্রথম আলো :

টিভি নাটকে আপনি যে ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেন, সে জায়গা থেকে ‘টিকিট’-এর ‘সুবর্ণা’ চরিত্রটি তো একেবারে আলাদা। প্রস্তাব পাওয়ার পর আপনি নিজে কতটা চমকে গিয়েছিলেন?

আমিও এ ধরনের চরিত্রের অপেক্ষায় ছিলাম। এটা ওটিটিতে আমার তৃতীয় কাজ, অপেক্ষায় ছিলাম ভিন্ন লুকে, ভিন্ন কিছুর। আমি তো ১০ বছর ধরে কাজ করছি; এমন কিছু করতে চাচ্ছিলাম, যা আমার অন্য কাজ থেকে সহজেই আলাদা করা যাবে। ভিকি ভাই (নির্মাতা ভিকি জাহেদ) যে চরিত্রটির জন্য আমাকে ভেবেছেন, সে জন্য তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ।

সাফা কবির
ছবি : সাফা কবিরের সৌজন্যে

প্রথম আলো :

‘সুবর্ণা’ চরিত্রটি তো একজন যৌনকর্মীর। এই চরিত্রে অভিনয় করবেন—কোনো দ্বিধা কাজ করেনি?

না। শিল্পী হিসেবে বরং আনন্দিত হয়েছি—এ ধরনের চরিত্রে পরিচালক আমাকে ভেবেছেন। কারণ, ব্যতিক্রমী চরিত্রে অভিনয়ের পর মানুষকে বলা যায়, আমি এমন চরিত্রেও অভিনয় করতে পারি। এটা একজন যৌনকর্মীর চরিত্র; পর্দায় যা দেখানো হবে তা কেবল গল্পের প্রয়োজনেই দেখানো হবে—চিত্রনাট্য পাওয়ার পর এটাই ভেবেছি। কাজের সময়ও আমরা বাড়তি কিছু করতে চাইনি, গল্পের মধ্যেই থাকতে চেয়েছি। পরিচালকের সঙ্গে চরিত্রটি নিয়ে অনেকবার কথা বলেছি, যা আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

প্রথম আলো :

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে নিজেকে পরিশ্রমী অভিনেত্রী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বিষয়টি যদি একটু ব্যাখ্যা করতেন…

অনেকেই আছেন জন্মগতভাবেই অভিনেত্রী, তাঁদের চরিত্র নিয়ে খুব একটা কষ্ট করতে হয় না। শুটিংয়ে দেখি, তাঁরা অনায়াসে কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু সেটা আমাকে করতে হলে অনেক শ্রম দিতে হয়। চেষ্টা করি বাড়তি শ্রম দিয়ে চরিত্রটির জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে। সে জন্যই হয়তো আমার আগের কাজগুলোর তুলনায় এখনকার কাজগুলো আলাদা হচ্ছে। আশা করি, আমার এ চেষ্টাটা নির্মাতাদের চোখে পড়বে।

Scroll to Top