ঢাকা, ১৫ ফেব্রুয়ারি – দেশের মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশের মধ্যে আনার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে সরকারের। কিন্তু কোনোভাবেই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে না। জানুয়ারি মাস শেষে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ৮৬ শতাংশে ঠেকেছে। যদিও আগের মাস ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৪১ শতাংশ।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) কনজুমার প্রাইস ইনডেক্স (সিপিআই) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
দেশের বাজার ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা, সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা এবং শিল্প উৎপাদন কমে যাওয়াকে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদরা।
ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ হওয়ার অর্থ হলো ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে যে পণ্যের দাম ১০০ টাকা ছিল ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ওই একই পণ্য কিনতে হয়েছে ১০৯ টাকা ৮৬ পয়সা।
বিবিএসের হিসাবে দেখা যায়, জানুয়ারি মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৫৬ শতাংশ। আর খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ।
গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি এতদিন কম থাকলেও শহরের মূল্যস্ফীতি লাগাম ছাড়া। গত মাসে গ্রামের গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৭০ শতাংশ। আর শহর এলাকার মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ।
শীতের মৌসুমেও মূল্যস্ফীতি বেশি হওয়ার ব্যাখ্যায় সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মূল্যস্ফীতি বাড়ার কারণ দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক দুই দিকেই আছে। দেশীয় কারণ হলো বাজার ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা, মুদ্রানীতির সংকোচনসহ শিল্পের উৎপাদন কমে যাওয়া।
সূত্র: দেশ রূপান্তর
আইএ/ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪



