স্বামী হিসেবে কেমন, স্ত্রীর কাছে খোলাচিঠিতে জানতে চেয়েছেন আফজাল হোসেন

স্বামী হিসেবে কেমন, স্ত্রীর কাছে খোলাচিঠিতে জানতে চেয়েছেন আফজাল হোসেন

বিয়ের জন্য এমন পাত্রী ঠিক তখনই পাওয়া যায়নি। পরে সহনশীল, ঠান্ডা মাথার অতি গোছালো, প্রেমময় একজন এই অভিনেতার জীবনে আসেন। তাঁকে নিয়ে আফজাল হোসেন লিখেছেন, ‘অতঃপর ওই সব উপাদানে সমৃদ্ধ একজনকে সৃষ্টি করার প্রয়োজন অনুভব করিলেন। সৃজন শেষ হইলে দেখিলেন, পুরুষটি উত্তরের হইলে নারী রত্নটি দক্ষিণের—শুধু ধরনে নয়, দুজনের বয়সের মধ্যেও বিস্তর তফাত হইয়া গিয়াছে। সৃষ্টিকর্তা ভাবিলেন, হউক। নারী রত্নটিকে অনেক গুণসমৃদ্ধ করিয়া প্রস্তুত করা হইয়াছে, সমস্যা হইবে না। সমস্যা হয়নি।’

এই অভিনেতা মতে, তিন দশকের সংসারজীবনে তাঁর মধ্যে অস্থিরতা কমেছে, হঠাৎ মাথা গরম হওয়া কমেছে, ঠান্ডা মাথায় ভাবার অভ্যাস তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া অনেক কিছু বিনা চেষ্টায় ভালোর দিকে বদলে গেছে। তারপরও নিজেকে প্রশ্ন করেছেন, ‘সবটা কি বদলেছে?’ বদলেনি। কিন্তু এটা যেন সংসারজীবনের প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘অগোছালো স্বভাবটার কোনোই উন্নতি হয়নি। হয়নি বলেই অপর পক্ষের ঠান্ডা মাথা প্রায়ই গরম হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়। ভাগ্যিস হয়। হয় বলেই বোঝা যায়, সংসারে প্রাণ আছে।’

Scroll to Top