পথেঘাটে শৌচকর্মের দায় কার: নাগরিক না নগরপিতার?

পথেঘাটে শৌচকর্মের দায় কার: নাগরিক না নগরপিতার?

দেখা যাক, বাংলাদেশের রাজধানী শহরের পৌনে দুই কোটি নগরবাসীর জন্য ১০৩খানা গণশৌচাগারের সংখ্যাটি অন্যান্য দেশের গণশৌচাগারের সংখ্যার সঙ্গে কেমন সামঞ্জস্যপূর্ণ। ১ লাখ মানুষের জন্য গণশৌচাগারের সংখ্যা আইসল্যান্ডে ৫৬টি, সুইজারল্যান্ডে ৪৬টি, নিউজিল্যান্ডে ৪৫টি, ফিনল্যান্ডে ৪১টি, অস্ট্রেলিয়া ও অস্ট্রিয়ায় ৩৭টি, নরওয়েতে ৩৩টি। উল্লেখ্য, এ দেশগুলোর প্রায় সবগুলোতেই শপিং মল, কফিশপ ইত্যাদি স্থানে শৌচাগারের ব্যবস্থা রয়েছে এবং তা ক্রেতার জন্য উন্মুক্ত, এবং সেগুলো ওপরের সংখ্যাগুলোয় অন্তর্ভুক্ত নয়।  

আবার আসা যাক ঢাকার গণশৌচাগারের কথায়। যারা শহরের গণশৌচাগার ব্যবহার করেছেন, তাঁদের অভিজ্ঞতায় দেখেছেন, নারী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য কোনো  ব্যবস্থা সেখানে নেই। টিস্যু এবং সাবান না থাকাকেও ব্যবহারকারীরা নিয়েছেন স্বাভাবিক ব্যাপার হিসেবে। সেই সঙ্গে দরজা-জানালা, বা কমোডের সিট ভাঙা থাকা বা পানি না থাকাও পরিণত হয়েছে স্বাভাবিক ব্যাপারে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবের কথা বলা বাহুল্য। বিষয়টি অনেকটা এরকম, টয়লেট দরকার, টয়লেট বানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেটি ব্যবহারোপযোগী কিনা, সেটা দেখার প্রয়োজন নেই।

Scroll to Top