চট্টগ্রামে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির দায়ের করা চেক প্রতারণা মামলায় জাহাঙ্গীর আলম নামের এক ব্যবসায়ীকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালাত। একই সঙ্গে তাকে ১৭ লাখ টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়।
সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম সপ্তম যুগ্ম জেলা জজ মো. মহি উদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত জাহাঙ্গীর চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থানাধীন দক্ষিণ শীতলপুর কেশবপুর গ্রামের সালেহ আহমদের ছেলে। তিনি মেসার্স জে আলম এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক।
রায়ের বিয়ষটি বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান।
তিনি বলেন, জাহাঙ্গীর আলম ইসলামী ব্যাংক পাহাড়তলী শাখা থেকে বিনিয়োগ সুবিধা নেন। পরে ব্যাংকের ঋণ পরিশোধের জন্য দেওয়া চেকটি ডিজঅনার হওয়ায় তার বিরুদ্ধে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ১৬ লাখ ৮৮ হাজার ২৫০ টাকা চেক প্রতারণার অভিযোগে ২০১৯ সালের ২১ মার্চ আদালতে মামলা করেন। আদালত সোমবার এ মামলায় রায় দেন। রায়ে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীরকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং চেকের সমপরিমাণ টাকা অর্থদণ্ড দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক ছিলেন। আসামি গ্রেফতারের দিন থেকে রায় কার্যকর হবে।
মামলার নথি সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত মো. জাহাঙ্গীর আলম মেসার্স জে আলম এন্টাপ্রাইজের বিপরীতে ইসলামীা ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি চট্টগ্রামের পাহাড়তলী শাখা থেকে ১৬ লাখ ৮৮ হাজার ২৫০ টাকার বিনিয়োগ সুবিধা গ্রহণ করেন। বাদী/ব্যাংকের প্রাপ্য বিনিয়োগের টাকা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দিতে না পারায় পাওনা পরিশোধের জন্য আসামি নিজ নামের ব্যাংক হিসাবের বিপরীতে ১৬ লক্ষ ৮৮ হাজার ২৫০ টাকার চেক প্রদান করেন। ওই চেক তার কথা মতে বাদী পক্ষ ব্যাংকিং নিয়মে আসামির সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে উপস্থাপন করলে আসামি তা পাশের ব্যবস্থা করায় চেকটি ডিজঅনার হয়ে ফেরত আসে। বাদী/ব্যাংকের পক্ষে কর্মকর্তা আনিসুর রহমান বাদী হয়ে আসামির বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ২১ মার্চ এনআই এ্যাক্ট এর ১৩৮ ধারায় বিজ্ঞ চীফ মেট্টোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।





