রাজনৈতিক অস্থিরতার তার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে পাকিস্তানে জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। এই নির্বাচনক আরও সমালোচিত হচ্ছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দৃশ্যপটে না থাকায়।
বৃহস্পতিবার ৮ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় যা বাংলাদেশি সময় সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে যা চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
এবারের নির্বাচনে ১২ কোটি ৮০ লাখ ভোটার রয়েছেন। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন প্রায় ১৮ হাজার প্রার্থী। ২৬৬টি আসনে লড়াই হচ্ছে, আরও ৭০টি আসন নারী ও সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত। এ ছাড়া একই দিনে ৭৪৯টি আঞ্চলিক সংসদেরও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বেশ কয়েকটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান যার কারণে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না তিনি।


নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) প্রার্থী নওয়াজ শরিফ ও পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) প্রার্থী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি। ভোটের লড়াইয়ে নির্বাচনী প্রতীক কার্যত প্রধান ভূমিকা পালন করে।
পিটিআই অভিযোগ করেছে, নির্বাচনী প্রতীক ছিনিয়ে নেওয়া ছাড়াও তাদের প্রার্থীদের ঠেকাতে নানা কৌশলও ব্যবহার করা হয়েছে। যার মধ্যে নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা, মিছিল-সমাবেশ করা নিষিদ্ধ করা এবং জোরপূর্বক লুকিয়ে থাকতে বাধ্য করার মতো বিষয়গুলোও রয়েছে।
পাকিস্তানের ৯০ হাজার ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে। নিরাপত্তার জন্য এসব ভোটকেন্দ্রে সাড়ে ৬ লাখের বেশি সেনা, আধাসামরিক এবং পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।







