এ পর্যন্ত তিনি ৩০ হাজার টাকা ভ্যালেন্টিনা জাতের ফুলকপি এবং ১৫ হাজার টাকার ক্যারোটিনা জাতের ফুলকপি বাজারে বিক্রি করেছেন। এখনো খেতে যে ফুলকপি আছে, তাতে তিনি ২০ হাজার টাকা ভ্যালেন্টিনা জাতের ফুলকপি এবং ৩৫ হাজার টাকা ক্যারোটিনা জাতের ফুলকপি বিক্রি করতে পারবেন।
এই দুই জাতের চাষের ফুলকপি চাষের পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে আমিন উদ্দিন বলেন, ‘ভ্যালেন্টিনা ও ক্যারোটিনা জাতের ফুলকপি সাধারণ ফুলকপির মতোই পরিচর্যা করতে হয়। অল্প জমিতে এই ফুলকপি চাষ করে বেশি লাভ পাওয়া যায়। আমার কাছ থেকে চারা নিয়ে এলাকায় আরও কয়েকজন কৃষক অন্তত পাঁচ বিঘা জমিতে এই দুই জাতের রঙিন ফুলকপি চাষ করছেন।’
যশোর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসান আলী বলেন, ‘ফুলকপির জাত দুটি পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ। রঙিন এই ফুলকপিতে আছে বিটা ক্যারোটিন, যা শরীরে ভিটামিন এ-তে পরিণত হয়।



