ঢাকা, ১১ ডিসেম্বর – দেশের ক্রীড়াজগতের আঁতুড়ঘর বলা হয় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে (বিকেএসপি)। জালিয়াতির অভিযোগে সেই বিকেএসপির ফুটবল দল আগামী বছর ঘরোয়া ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) ডিসিপ্লিনারি কমিটি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে বাফুফের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করবে বলে জানিয়েছে বিকেএসপি।
বিকেএসপি’র মহাপরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আনোয়ার সাদাত আবু মো. ফুয়াদ বাফুফের সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে বলেন, ‘ব্যক্তির (খেলোয়াড়) জন্য প্রতিষ্ঠান শাস্তিপ্রাপ্ত হতে পারে না। বিকেএসপি কোনো অন্যায় করেনি, তাই বাফুফের সিদ্ধান্তের বিপরীতে আপিল করা হবে শীঘ্রই।’
বিকেএসপি প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিয়মের ভঙ্গ করেনি। বিকেএসপির দুই ফুটবল কোচ খেলোয়াড়দের তৃতীয় বিভাগে খেলানো এবং নাম পরিবর্তনের সঙ্গে জড়িত। যা ইতোমধ্যে নানা মাধ্যমে প্রমাণিত। এই বিষয়ে বিকেএসপি’র মহাপরিচালকের বক্তব্য, ‘আমরা এই বিষয়টি আভ্যন্তরীণভাবে তদন্ত করব। সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়-কোচ তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হলে খুব গুরুতর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
এই মাসেই বিকেএসপি’র ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে। সেখানে ফুটবল লিগে অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কোচরা না থাকার সম্ভাবনাই বেশি। তদন্ত চলাকালীন সময় এই দুই কোচকে দায়িত্ব পালন থেকে অব্যাহতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে বিকেএসপি কর্তৃপক্ষ।
বাফুফের অনেক কর্মকাণ্ড ও সিদ্ধান্তে প্রশ্ন উঠে। বিকেএসপিকে এক বছরের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টিও এর বাইরে নয়। ভিন্ন পরিচয়ে খেলোয়াড় খেলানোয় বিকেএসপি নিষিদ্ধ অথচ সেই খেলোয়াড়রা চকবাজার কিংসের হয়ে খেলে চ্যাম্পিয়ন করেছে কিন্তু চকবাজারকে এই সংক্রান্ত বিষয়ে ন্যূনতম সতর্কও করেনি ডিসিপ্লিনারি কমিটি। বিকেএসপির বিপক্ষে খেলোয়াড় জালিয়াতির বিষয়ে বাফুফের কাছে আবেদন করে দ্বিতীয় বিভাগের দল আরামবাগ ফুটবল একাডেমী। আরামবাগ ফুটবল একামেডী এবং চকবাজার কিংসের সঙ্গে বাফুফের নির্বাহী কমিটি দুই কর্মকর্তা থাকায় নানা গুঞ্জনও ভেসে বেড়াচ্ছে।
সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল
আইএ/ ১১ ডিসেম্বর ২০২৩





