৬৪ ঘরের দুনিয়ায় প্রণবরা পারলেও ফাহাদরা কেন পারেন না

৬৪ ঘরের দুনিয়ায় প্রণবরা পারলেও ফাহাদরা কেন পারেন না

গ্র্যান্ডমাস্টার হওয়ার পথটা কেমন ছিল, সেটাও শোনা হলো প্রণবের মুখে, ‘২০১৬ সালে অনূর্ধ্ব–১০ বিভাগে আমি ছিলাম বিশ্বসেরা। আমি ফিদে মাস্টার খেতাব নিইনি। ২০২১ সালে আইএম হই, এক বছরের মধ্যে গ্র্যান্ডমাস্টার। কিছু ক্ষেত্রে আমার যাত্রা সহজ ছিল। আবার কখনো কখনো কঠিন। কিছুদিন আমার রেটিং এক জায়গায় দাঁড়িয়ে ছিল। তখন সময়টা ভালো যায়নি।’

বিশ্বনাথন আনন্দকে দেখে ভারতের অনেক কিশোর-তরুণই দাবায় এসেছে। প্রণবও ব্যতিক্রম নয়। আনন্দের সঙ্গে কখনো তার খেলা হয়নি, তবে আনন্দের হাত থেকে চেন্নাইয়ের বিভিন্ন টুর্নামেন্টে পুরস্কার নিয়েছে।

গ্র্যান্ডমাস্টার হতে অনেক আর্থিক বিনিয়োগ প্রয়োজন। ছেলেকে এই পর্যায়ে আনতে সেই লড়াইটা করতে হয়েছে মাদিয়ালা ভেংকটেশকেও, ‘বন্ধুবান্ধবেরা সহায়তা করেছে। ভারতের দাবা ফেডারেশনের সহায়তা পেয়েছি। তামিলনাড়ু সরকার সহায়তা করেছে। ইউরোপে যেতে–আসতে অনেক খরচ। স্থানীয় ব্যবসায়ী কৈলাশ নাদনও সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন।’

Scroll to Top