১১ বছরেও জিআই ইউনিট হয়নি 

১১ বছরেও জিআই ইউনিট হয়নি 

দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে জিআই স্বীকৃতি খুব তাৎপর্যপূর্ণ। তবে বাংলাদেশ বিভিন্ন পণ্যের জিআই স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। প্রতিবেশী ভারত ১৯৯৯ সালে জিআই আইন তৈরি করে। ২০০৪ সালের এপ্রিলে দেশটি দার্জিলিং চা-কে প্রথম জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দেয়। ভারতে এখন পর্যন্ত ৫৪৭টি পণ্য জিআই সনদ পেয়েছে। এই তালিকায় পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ২৭টি পণ্য রয়েছে। এসব পণ্যের মধ্যে আছে নকশিকাঁথা, টাঙ্গাইল শাড়ি, সুন্দরবনের মধুর মতো পণ্যও।

অন্যদিকে ২০১৬ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে জামদানি শাড়ি স্বীকৃতি পায়। এরপর ডিপিডিটি ইলিশ, রংপুরের শতরঞ্জি, রাজশাহী সিল্ক, ঢাকাই মসলিন, বগুড়ার দই, নাটোরের কাঁচাগোল্লা, কুমিল্লার রসমালাই, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরশাপাতি আম, বিজয়পুরের সাদা মাটি, দিনাজপুরের কাটারিভোগ চাল, বাংলাদেশ কালিজিরা, রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম, বাংলাদেশের বাগদা চিংড়ি, বাংলাদেশের শীতলপাটি, শেরপুরের তুলসীমালা ধান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম, বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল, টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ীর চমচম, কুষ্টিয়ার তিলের খাজা এসব পণ্যকে জিআই সনদ দেয়।

সম্প্রতি টাঙ্গাইল শাড়ি, নরসিংদীর অমৃত সাগর কলা, গোপালগঞ্জের রসগোল্লা, রংপুরের হাঁড়িভাঙা আম, মৌলভীবাজারের আগর, মৌলভীবাজারের আগর–আতর, মুক্তগাছার মণ্ডা, যশোরের খেজুরের গুড়, রাজশাহীর মিষ্টি পান ও জামালপুরের নকশিকাঁথাকে দেশের জিআই পণ্য হিসেবে অনুমোদন করে ডিপিডিটি। এ নিয়ে বাংলাদেশের অনুমোদিত জিআই পণ্যের সংখ্যা দাঁড়াল ৩১। 

Scroll to Top