দেশে হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের সবাই ঢাকা জেলার বাসিন্দা। এ নিয়ে দেশে হাম ও এর উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮১৬ জনে।
শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল ৮টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছেন ৭২১ জন। এ ছাড়া ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া হামে ৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮১৬ জনে।
গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে আরও ৬১৩ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এতে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত উপসর্গ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ৭৬৩ জনে।
একই সময়ে ল্যাব পরীক্ষায় নতুন করে ৭৮ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। ফলে দেশে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ল্যাব নিশ্চিত হামে আক্রান্তের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ২৭২ জনে।
হাসপাতালে ভর্তির তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ২৯৮ জন। তাঁদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৫৩৫ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত পরিসংখ্যানে আক্রান্ত বা মৃতদের বয়সভিত্তিক তথ্য প্রকাশ করা হয় না। তবে রোগতত্ত্ববিদদের মতে, হাম সব বয়সী মানুষের হতে পারে—যদিও শিশুদের মধ্যে এ রোগের প্রকোপ বেশি। প্রাদুর্ভাবের সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হওয়া মৃত্যুকেও তাঁরা হামজনিত মৃত্যু হিসেবে বিবেচনা করেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত ছয় মাসে বাংলাদেশে ৪২ হাজার ১৭৪ জন হাম বা হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছেন। ওই সময়ে বিশ্বের অন্য কোনো দেশে এত বেশি রোগী শনাক্ত হয়নি।






