দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র প্রার্থীতা বাতিল করে দেয়া ইসির সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।
দ্বৈত নাগরিকত্ব প্রশ্নে ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা রিটের শুনানি শেষে সোমবার বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান ও বিচারপতি মো. বশির উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ইসির সিদ্ধান্তে রুলসহ স্থগিতাদেশ দেন। এই আদেশের ফলে সাদিক আব্দুল্লাহ’র প্রার্থীতা বৈধ হল বলে জানান তার আইনজীবী।
আদালতে সাদিক আবদুল্লাহ’র পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী খুরশিদ আলম খান। সাথে ছিলেন ব্যারিস্টার ইফতাবুল কামাল অয়ন। আর এই আসনের নৌকার প্রার্থীর পক্ষে আদালতে শুনানি করেন আইনজীবী আহসানুল করিম।
দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে বরিশাল-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর প্রার্থিতা শুক্রবার বাতিল করেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানি শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আওয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশন এই সিদ্ধান্ত দেন। এরপর হাইকোর্টে রিট করেন সাদিক আব্দুল্লাহ।


আসছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ সংসদীয় আসনে জমা পড়েছিল ২ হাজার ৭১৬টি মনোনয়নপত্র। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বাছাইয়ে ৭৩১টি মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। তবে রিটার্নিং কর্মকর্তার বাছাইয়ে বাদ পড়ার পর নির্বাচন কমিশনে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পান ২৮০ জন প্রার্থী। অন্যদিকে রিটার্নিং কর্মকর্তার বাছাইয়ে বৈধ হওয়ার পর নির্বাচন কমিশনে আপিলে প্রার্থিতা হারান ৫ জন। ইসিতে করা সব আপিল নিষ্পত্তি শেষে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৬০ জন। ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ অনেক প্রার্থী উচ্চ আদালতে রিট করেছেন।
আগামী ৭ জানুয়ারি ভোটগ্রহণের দিন ঠিক করে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, এ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত, বাছাই চলে ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর। আর ১৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ভোটের প্রচার চালানোর সুযোগ থাকবে।






