ইয়াসির আরাফাত প্রথম আলোকে বলেন, ‘সে (সজীব) আমার সঙ্গে রাজনীতি করে, এটা ঠিক। শুক্রবারও পলিটেকনিকে আমরা গিয়েছিলাম, তারাও ছিল। তার ব্যক্তিগত অপরাধের দায় সংগঠন নেবে না। সে দলে থেকে কোনো কিছু করেনি। বাড়িতে গিয়ে কী করেছে, সেটা তার দায়।’ বারবার অপকর্মের পরও তাঁকে কেন দলে নেওয়া হয়, জানতে চাইলে তিনি উত্তর দিতে রাজি হননি।
পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, এস কে সজীবের নাম সজীব শেখ। তাঁর বাবার নাম মিলন শেখ। শহরের আড়ুয়াপাড়া এলাকার হরিবাসর এলাকায় তাঁদের বাড়ি। সজীবের নামে কুষ্টিয়া মডেল থানায় মাদক, চাঁদাবাজি, হামলাসহ নানা অভিযোগে পুরোনো সাতটি মামলা আছে। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে এক নারী ইন্টার্ন চিকিৎসককে মারধরের মামলায় তাঁর দুই বছরের সাজাও হয়েছিল।



