নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তানভিরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় হত্যার শিকার তহুরা বেগমের ছোট ভাই মো. আসাদুজ্জামান বাদী হয়ে গতকাল রাতে থানায় হত্যা মামলা করেছেন। তিনজনের ময়নাতদন্ত শেষে আজ দুপুরে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। নীলফামারী সদর থানা-পুলিশের পাশাপাশি রংপুর সিআইডি মামলার তদন্ত করছে। আহত আশিকুল হক এখনো রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তাঁর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে।
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক কান গলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আবদুল আজিম প্রথম আলোকে বলেন, আশিকুল হকের গলায় ছুরির আঘাতে রগ কেটে গেছে। তাঁর শ্বাসপ্রশ্বাসের জন্য আলাদা নল করে দেওয়া হয়েছে। এসব কারণে বুকে বাতাস জমে গেছে। সব মিলিয়ে তিনি এখনো শঙ্কামুক্ত নন।
[প্রতিবেদন তৈরিতে তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছেন নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর]





