সোনার দাম হ্রাস-বৃদ্ধিতে কার লাভ, কার ক্ষতি

সোনার দাম হ্রাস-বৃদ্ধিতে কার লাভ, কার ক্ষতি

একইভাবে সোনার দাম বাড়লে জুয়েলার্স ব্যবসায়ীদের লাভ হয়। ধরা যাক, গত জানুয়ারিতে একজন ব্যবসায়ী ২২ ক্যারেটের এক ভরির একটি অলংকার তৈরি করেন। তখন সোনার ভরি ছিল ৮৮ হাজার ৪১৩ টাকা। এখন সেই অলংকার বিক্রি করলে শুধু সোনার দামই বেশি পাবেন ১৯ হাজার ৭১২ টাকা।

এদিকে বিভিন্ন জুয়েলারি দোকানের মালিক ও কর্মীরা জানান, সোনার দাম অত্যধিক বেড়ে যাওয়ায় অলংকার তৈরির ক্রয়াদেশ কমেছে। এ কারণে পুরান ঢাকার তাঁতীবাজারের স্বর্ণশিল্পীদের সংখ্যাও দিন দিন কমছে। সেখানে গত দুই দশকের ব্যবধানে স্বর্ণশিল্পীদের সংখ্যা কমে চার ভাগের এক ভাগে নেমে এসেছে বলে দাবি করেন জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) সহসভাপতি দেওয়ান আমিনুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সোনার দাম বাড়ে। সে জন্য সামর্থ্য থাকলে সোনা কিংবা অলংকারে বিনিয়োগ করেন অনেকে। যদিও সোনার দাম বেড়ে যাওয়ায় জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানের বিক্রি কমে গেছে। তারপরও ব্যবসায়ীরা যেহেতু টিকে আছেন, সেহেতু ব্যবসা কিছু না কিছু হচ্ছে বলা যায়। তবে স্বর্ণশিল্পীর সংখ্যা কমেছে। বর্তমানে যাঁরা আছেন, তাঁদের আয় কমেনি। এর কারণ সোনার দাম বেড়েছে।

Scroll to Top