বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, সৈয়দপুর বিমানবন্দরের ঘটনাকে কোনোভাবেই বিচ্ছিন্ন বলে দেখার সুযোগ নেই।
দেশের বিভিন্ন স্থানে জামায়াত-শিবির একই ধরনের অনৈতিক ও আচরণবিধিবহির্ভূত কার্যক্রম চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
আজ বুধবার বিকেলে গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মাহদী আমিন।
তিনি বলেন, শুধু সৈয়দপুর নয়, ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াত আমিরের নির্বাচনী এলাকাতেও একই পদ্ধতিতে অর্থ লেনদেনের ঘটনা ঘটেছে। কুমিল্লা, নোয়াখালী, খুলনাসহ দেশের অসংখ্য এলাকায় দলটির নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে নগদ অর্থ ও বিকাশের মাধ্যমে টাকা দিচ্ছেন।
বিএনপি নেতা অভিযোগ করে বলেন, ভোটের মাঠে সন্ত্রাস ও ভয়ভীতি দেখিয়ে, অর্থ কিনে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে জামায়াত-শিবির। এরই মধ্যে এসব কার্যক্রমে জড়িত অনেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে।
জামায়াতের অর্থায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলে মাহদী আমিন বলেন, সারাদেশে ব্যাংক ও ব্যবসায়িক লেনদেন বন্ধ থাকার পরও জামায়াতের এক জেলা নেতা কোথা থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ নিয়ে নির্বাচনের আগের দিন ঢাকা থেকে সৈয়দপুর যাচ্ছিলেন-তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে।
তিনি বলেন, টানা চারদিন সব ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ থাকার পরও এত বিপুল অর্থের লেনদেন ব্যবসায়িক প্রয়োজনে সম্ভব নয়। এটি স্পষ্ট আচরণবিধি লঙ্ঘন এবং গণবিচ্ছিন্ন একটি দলের অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অপচেষ্টা।
ইনসাফ ও দুর্নীতিবিরোধী বয়ান তৈরি করা দলটির প্রতি প্রশ্ন রেখে মাহদী আমিন বলেন, টাকা দিয়ে ভোট কেনা কি তাদের দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানের সঙ্গে কোনোভাবেই যায় কিনা-তা ভেবে দেখার দাবি রাখে।






