সিরাজগঞ্জে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা

সিরাজগঞ্জে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পূর্ব শত্রুতার জেরে কিশোর গ্যাংয়ের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে চার যুবক আহত হয়েছেন। কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পূর্ব শত্রুতার জেরে কিশোর গ্যাংয়ের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে চার যুবক আহত হয়েছেন। আহতদের কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রোববার (২১ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে কুমারখালী শহীদ গোলাম কিবরিয়া সেতু এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন কাজীপাড়া এলাকার মরহুম জামাল উদ্দিনের ছেলে আরিফুল ইসলাম (২৫), বাটিকামারা এলাকার শহিদুলের ছেলে সবুজ (২৫), বড় মালিয়াট এলাকার খালেক আলীর ছেলে জুয়েল ও তাদের সহপাঠী সম্রাট (২৪)। তবে এদের মধ্যে আরিফুলের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে আহত সম্রাট জানান, রাতে তারা সেতু এলাকায় চা পান করতে গিয়েছিলেন। ওই সময় প্রতিপক্ষের পাপ্পু, তূর্য, রামিম, আলিফসহ অজ্ঞাতপরিচয় চার-পাঁচজন এসে তাদের এলোপাতাড়ি কুপিয়ে চলে যায়। এতে আরিফের পেট কেটে ভুঁড়ি বের হয়ে যায়, সবুজের পায়ের হাড় কেটে যায়, জুয়েলসহ তিনিও আহত হন।

তার ভাষ্য, কয়েকমাস আগে প্রতিপক্ষের সাথে তাদের মারামারি হয়েছিল। সেই শত্রুতার জেরে তাদের কুপিয়েছে।

কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সূত্রে জানা গেছে, একজনের নাড়ি-ভুঁড়ি বেরিয়ে গেছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে রাতেই তাদের সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, গুরুতর আহত আরিফুলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া থেকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

জানা যায়, অভিযুক্ত পাপ্পু পৌরসভার এলংগী এলাকার মতিরের ছেলে ও কুমারখালী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি।

স্থানীয়রা জানান, কুমারখালী পৌরসভা এলাকায় কয়েকটি গ্রুপ আছে এরা বেপরোয়া। তাদের নিয়ে আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ।

স্থানীয়রা বলছেন, প্রশাসন কঠোর অবস্থানে গেলে দ্রুতই এই কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব, সেইসাথে যারা এদের ইন্ধন দিচ্ছে তাদেরও আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আকিবুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

Scroll to Top