বাসুদেব চন্দ্র আরও বলেন, ‘আগে বিক্রির জন্য অনেক সময় ক্রেতাও ঠিকভাবে পেতাম না। আর এখন নিজ প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ডে পণ্য বিক্রি করছি। আগে ৮০০ টাকা দরে প্রতি কেজি ঘি বিক্রি করতাম, যা এখন আরও ২০০-৩০০ টাকা বেশি। এখন পণ্যের চাহিদা অনেক বেড়েছে।’
শাহজাদপুরের হালুয়াঘাটির আরেক উদ্যোক্তা মো. আতাউর রহমান চিজ অর্থাৎ পনির তৈরি করেন। দুগ্ধজাত পণ্য তৈরিতে জাতীয় পুরস্কার পাওয়া এই উদ্যোক্তা মাসে ২০-২৫ লাখ টাকার দুগ্ধজাত পণ্য তৈরি করছেন। তিনি বলেন, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন, নিজস্ব ব্র্যান্ড তৈরি ও বিএসটিআইতে নিবন্ধনের পরে রাজধানী ঢাকাসহ দূরবর্তী জেলাগুলোতে বিক্রি বেড়েছে।
পিকেএসএফের কর্মকর্তারা জানান, তাঁদের প্রকল্পের আওতায় উদ্যোক্তাদের মধ্যে দুধ থেকে ক্রিম পৃথক্করণের উন্নত মানের যন্ত্র সরবরাহ করা হয়েছে। এতে আগের তুলনায় দুধ নষ্ট হচ্ছে কম, মাটিতে পড়ে দুর্গন্ধও ছড়াচ্ছে না। দুধ থেকে ছানা তৈরির সময় আগে যে সবুজাভ পানি ফেলে দেওয়া হতো, সেটি থেকে এখন প্রোটিনসমৃদ্ধ হোয়ে মিল্ক তৈরি হচ্ছে। এ ছাড়া কারখানায় পানির অতিরিক্ত ব্যবহার কমেছে, পণ্যের ব্র্যান্ডিং বেড়েছে, দুগ্ধজাত পণ্যের গুণগত মান পরীক্ষা নিশ্চিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রিমিয়াম বাজারে এসব পণ্য প্রবেশ করছে।




