সাফে শিরোপা জয়ের সামর্থ্য আছে বাংলাদেশের: টমাস ডুলি – Sarabangla

সাফে শিরোপা জয়ের সামর্থ্য আছে বাংলাদেশের: টমাস ডুলি – Sarabangla

২৩ বছরের শিরোপা-খরা কাটানোর লক্ষ্য নিয়ে বৃহস্পতিবার সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের পঞ্চদশ আসর শুরু করছে বাংলাদেশ। কাল প্রথম ম্যাচে প্রতিপক্ষ ভুটান। ঘরের মাঠে শিরোপার দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটানোর চ্যালেঞ্জ সামনে রেখে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ টমাস ডুলি। বাংলাদেশ কোচ বললেন, এবারের টুর্নামেন্ট জেতার সামর্থ্য রয়েছে বাংলাদেশের।

আট বছর পর আবারও বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। সর্বশেষ ২০১৮ সালে দেশের মাটিতে সাফ হয়েছিল। বাংলাদেশের জন্য এবারের প্রতিযোগিতার গুরুত্ব আরও বেশি। কারণ ২০০৩ সালে সর্বশেষ শিরোপা জয়ের পর কেটে গেছে ২৩ বছর। নিজেদের দেশে ফেভারিট হিসেবে এবার সেই আক্ষেপ ঘুচানোর চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের সামনে।

বুধবার (৩ নভেম্বর) ঢাকার একটি হোটেলে সাফের প্রাক্‌-টুর্নামেন্ট সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের প্রস্তুতি ও প্রত্যাশার কথা জানান অংশগ্রহণকারী পাঁচ দলের কোচ ও অধিনায়ক। বাংলাদেশের হয়ে উপস্থিত ছিলেন কোচ ডুলি ও অধিনায়ক তপু বর্মণ।

টুর্নামেন্ট খেলতে নামার আগের দিন ডুলি বলেন, ‘আমরা এই টুর্নামেন্ট নিয়ে খুবই রোমাঞ্চিত। দীর্ঘদিন ধরেই এর জন্য অপেক্ষা করছি। চার-পাঁচ মাস আগে থেকেই জানতাম, এ বছর সাফ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। পুরো দল ও ফেডারেশন এ নিয়ে উচ্ছ্বসিত। আমরা প্রথম ম্যাচের অপেক্ষায় আছি। মে মাস থেকে প্রস্তুতির পথে কিছু উত্থান-পতন ছিল। তবে এখন পর্যন্ত আমরা যা করেছি, তাতে আমি বেশ সন্তুষ্ট।’

শিরোপার দীর্ঘ অপেক্ষা এবং ঘরের মাঠে খেলার কারণে প্রত্যাশার চাপ বেশি। তবে সেটিকে বড় বাধা মনে করছেন না বাংলাদেশের কোচ। বরং দলের প্রস্তুতি ও খেলোয়াড়দের সামর্থ্যের ওপর আস্থা রেখেই শিরোপার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন তিনি। ডুলি বলেন, ‘অতীতের তুলনায় এবার চাপ কমই থাকবে। কারণ, দলের প্রস্তুতি ও সামর্থ্যের ওপর আমার আস্থা রয়েছে। এবারের সাফে চ্যাম্পিয়ন হওয়া বাংলাদেশের জন্য বাস্তবসম্মত লক্ষ্য।’

বাংলাদেশ কোচ যোগ করেন, ‘আমাদের বিশ্বাস আছে, ভালো খেলতে পারবো, লড়াই করতে পারবো এবং নিজেদের লক্ষ্য অর্জন করতে পারবো। এই টুর্নামেন্ট জেতার সামর্থ্য আমাদের দলের রয়েছে। এর জন্য প্রয়োজন কঠোর পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করার মানসিকতা।’

কোচের আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন অধিনায়ক তপু বর্মণের কথাতেও। দেশের মাটিতে সাফ খেলার সুযোগকে বিশেষ হিসেবে দেখছেন তিনি। তবে প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই, সেটিও মনে করিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক। তপু বলেন, ‘এটা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আট বছর পর সাফ আমাদের দেশে হচ্ছে। আমরা প্রস্তুত। কাজটা সহজ হবে না, সেটা জানি। কোচ যেমনটা বলেছেন, আমরাও সেভাবেই নিজেদের প্রস্তুত করেছি। আশা করি, এবার আরও ভালো কিছু করতে পারব।’

বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে সাফ অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ। একই দিনে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভারত ও পাকিস্তান। বাংলাদেশের দ্বিতীয় গ্রুপ ম্যাচ ১১ নভেম্বর, প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। দুই গ্রুপের শীর্ষ দুটি করে দল উঠবে সেমিফাইনালে।

Scroll to Top