সাফ অনূর্ধ্ব–১৯ ফুটবলে মেয়ের খেলা দেখতে পারেননি সাগরিকার মা–বাবা। বাড়িতে তাঁদের টেলিভিশনই যে নেই। তবে কথা হয়েছে সাগরিকার সঙ্গে। কী বলেছেন, তাঁরা নিজেরাই ঠিক জানেন না। একরকম ঘোরের মধ্যেই যে ছিলেন তাঁরা দুজন। পরদিন গ্রামের মানুষ পত্রপত্রিকা কিনে বাড়িতে নিয়ে এসেছেন। পত্রিকার পাতায় মেয়ের বড় বড় ছবি দেখে তাঁরা অবাক। এসব স্বপ্ন, না সত্যি?
লিটন আলী বোঝেন, তাঁর মেয়ে নিজের স্বপ্নকেই সত্যি করেছেন। গ্রামের পাশের বাড়িতে নিজের বোন সম্পর্কের লুনার কথাও বললেন তিনি। সাগরিকার খালা লুনা মানসিক সমর্থন দিয়েছিলেন সাগরিকাকে, ‘লুনা আমাদের পাশের বাড়িতে থাকেন। সাগরিকা ওকে খালা ডাকে। লুনাও সাগরিকাকে খুব ভালোবাসেন। উনি বলেছিলেন, “আপনারা যদি মেয়েকে ফুটবলার হতে না দেন, তাহলে ওকে আমাকে দিয়ে দিন। আমি ওকে ফুটবলার বানাব।”’




