এই কিশোর ‘মাদকাসক্ত’ বলে দাবি অভিযুক্ত বাবু মুন্সির বড় ভাই শফিক মুন্সির। তিনি বলেন, ‘সে (জাহিদুল) চুরির সঙ্গেও জড়িত ছিল। বুধবার সকালে এক বাড়িতে চুরি করে মালামাল নিয়ে পালানোর সময় লোকজন তাকে মালামালসহ আটক করে সামান্য মারধর করে। আমি তখন ঘটনাস্থলে ছিলাম। বাড়িতে গেলে তার চাচারা তাকে শাসন করেন। রাতে ক্ষোভে বিষপান করেছে বলে আমরা শুনেছি। পরে সে মারা গেছে।’
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমরানুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ওই কিশোরের মা-বাবা, ভাই-বোন থাকেন ঢাকায়। গ্রামের বাড়িতে সে থাকত একা। তার নির্দিষ্ট কোনো পেশা ছিলা না। বুধবার সকালের মারধরে ঘটনায় সে বিষ-জাতীয় কোনো ওষুধ (বড়ি) খেয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্নও পাওয়া গেছে।
ওসি বলেন, এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করবে বলে জানিয়েছে ওই কিশোরের পরিবার। তবে আজ শনিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ না পাওয়া গেলে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।




