২ ফেব্রুয়ারি প্রথম আলোয় এ বিষয়ে যে প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে, তা রীতিমতো উদ্বেগজনক। এতে বলা হয়, মাঠপর্যায়ে সরকারের দেওয়া জন্মনিয়ন্ত্রণসামগ্রীর সংকট আছে। দেশের কোনো উপজেলায় ইমপ্লানন (একধরনের জন্মনিয়ন্ত্রণপদ্ধতি) নেই, কোনো উপজেলায় ইনজেকশন নেই। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে কনডম শেষ হয়ে যাওয়ার পথে। জন্মনিরোধক বড়ির যে মজুত আছে, তা দিয়ে চলবে পাঁচ মাসের মতো। এই তথ্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের।
সরকারি পরিসংখ্যানমতে, সক্ষম দম্পতিদের ৩৭ শতাংশ এখন সরকারি খাত থেকে জন্মনিয়ন্ত্রণসামগ্রী পান। এনজিওগুলোর কাছ থেকে পান ৩ শতাংশ। বাকি ৬০ শতাংশ পান বেসরকারি খাত থেকে। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মাঠকর্মীরা বিনা মূল্যে সক্ষম দম্পতির কাছে জন্মনিয়ন্ত্রণসামগ্রী পৌঁছে দেন। সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকেও এসব সামগ্রী সংগ্রহ করা যায়। এর মধ্যে আছে ইমপ্লানন, কনডম, খাওয়ার বড়ি, জরুরি জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি (ইসিপি), আইইউডি, ইনজেকশন ও ইমপ্ল্যান্ট। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকেই এসব সামগ্রী সরবরাহ করা হয়।



