খাদ্য: ভিটামিন-এ, ভিটামিন বি-৬, ভিটামিন-ই, ভিটামিন-সি, ভিটামিন-ডি, আয়রন, ফলিক অ্যাসিড, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম ও জিংক শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এসব ভিটামিন ও খনিজ উপাদানসমৃদ্ধ খাবার থাকা জরুরি। ভিটামিন বি-৬-এর অন্যতম প্রধান উৎস হচ্ছে সবুজ শাকসবজি, আলু, কলা, মুরগির মাংস, সামুদ্রিক মাছ ইত্যাদি। বিভিন্ন ধরনের বাদাম, সূর্যমুখী তেল, অ্যাভোকাডো, আম প্রভৃতি খাবারে রয়েছে ভিটামিন-ই। টাটকা টকজাতীয় ফল যেমন কমলা, আঙুর, পেয়ারা, আমলকী, স্ট্রবেরি ভিটামিন-সিতে ঠাসা।
নিদ্রা: নিদ্রার সঙ্গে রোগ প্রতিরোধের সম্পর্ক গভীর। যারা ছয় ঘণ্টার কম ঘুমান, তাঁরা ফ্লুতে আক্রান্ত হন বেশি। প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের কমপক্ষে ৭ ঘণ্টা, কিশোর-কিশোরীদের প্রয়োজন ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা আর শিশুদের দরকার ১৪ ঘণ্টা ঘুম।



