জানতে চাইলে নীল দলের একাংশের নেতা প্রক্টর কাজী ওমর সিদ্দিকী বলেন, ‘তত্কালীন শিক্ষক সমিতি নির্বাচন করতে ব্যর্থ হয়েছে। শিক্ষক সমিতির নির্বাচন সব সময় শিক্ষক লাউঞ্জে হয়। ওরা তত্কালীন সভাপতি দুলাল চন্দ্র নন্দীর পরিসংখ্যান বিভাগের একটি শ্রেণিকক্ষে ভোটকেন্দ্র নিয়ে যায়। নির্বাচন নিয়ে ওরা ষড়যন্ত্র করে। এরপরও বঙ্গবন্ধু পরিষদ নির্বাচন করার জন্য চিঠি দেয়। নীল দলের নাম ব্যবহার করা ষড়যন্ত্রকারীদের কারণে নির্বাচন হয়নি। আমরা চাই নির্বাচন হোক। শিগগিরই সবাই মিলে একটি নির্বাচন করতে চাই।’
নীল দলের আরেকাংশের নেতা ও শিক্ষক সমিতির সবশেষ কমিটির সভাপতি দুলাল চন্দ্র নন্দী প্রথম আলোকে বলেন, ‘উপাচার্যপন্থী শিক্ষকদের কারণে নির্বাচন হচ্ছে না। ওই সময় নীল দলের একটি অংশ নির্বাচন ভন্ডুল করে দেন। আমরা চাই সমিতির কমিটি নিয়মিত হোক। নির্বাচন নিয়মিত না হওয়ার কারণে শিক্ষকেরা তাঁদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আমরাও চাই নির্বাচন হোক।’
এ প্রসঙ্গে উপাচার্য অধ্যাপক এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, শিক্ষক সমিতির নির্বাচনের সঙ্গে উপাচার্যের কোনো সম্পর্ক নেই। শিক্ষকদের একটি অংশ তাঁর কাছে বহু আগে এসেছিলেন। তাঁরা নির্বাচন করার দাবি তুলেছিলেন। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, এটা শিক্ষকদের বিষয়। সেখানে তাঁর কিছু করার নেই।





