স্বজনেরা চুলার গ্যাস থেকে আগুন লাগার কথা বললেও মঙ্গলবার ফেনীর ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা আবদুল মজিদ বলেছিলেন, রেফ্রিজারেটরের কম্প্রেসর বিস্ফোরণ থেকে আগুন লেগেছে। তবে আজ প্রথম আলোকে তিনি বলেন, প্রাথমিক ধারণা থেকে কম্প্রেসর বিস্ফোরণ বলে মনে হয়েছিল। তবে চুলার গ্যাস থেকেও এটা হয়ে থাকতে পারে। সেটা খতিয়ে দেখতে হবে।
আজ বুধবার দুপুরে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে গিয়ে দেখা যায়, শিশু রিককে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। মুখমণ্ডলসহ তাঁর প্রায় পুরো শরীর দগ্ধ। পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন শিশুটির চাচা পরিতোষ চন্দ্র সরকার। তিনি জানান, রিক ফেনীতে একটি স্কুলে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। তিনজনের অবস্থাই সংকটাপন্ন বলে চিকিৎসকেরা তাঁদের জানিয়েছেন। তিনজনই গুরুতর দগ্ধ হওয়ার বিষয়ে তাঁরা বিস্তারিতভাবে জানতে পারছেন না।
পরিতোষ সরকার বলেন, ‘দাদা-বউদি বললেন, ম্যাচের (দিয়াশলাই) কাঠি দিয়ে গ্যাসের চুলা জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে আগুন একদম ঘরের ছাদ পর্যন্ত উঠে যায়। দুই কক্ষের পুরো বাড়িতে আগুন লেগে যায়। ওরাই চিৎকার করতে করতে দরজা খুলে বের হন।’ বাকিটা প্রতিবেশীদের কাছ থেকে শুনেছেন বলে জানান। অন্য ফ্ল্যাটের প্রতিবেশীরা তাঁদের (পরিতোষ) বলেছেন, শরীরে আগুন ধরা অবস্থায় তিনজন সিঁড়ি দিয়ে দৌড়ে নামছিলেন। তাঁরা কাপড় দিয়ে জড়িয়ে ধরে আগুন নিভিয়ে কাছের হাসপাতালে নিয়ে যান ও ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন।




