মুদ্রাকে বিশ্ব বাণিজ্যের প্রাণশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক প্রাণশক্তিকে প্রতিফলিত করে। মুদ্রার শক্তি একটি দেশের স্থিতিশীলতা এবং শক্তিশালী আর্থিক স্বাস্থ্যের প্রমাণ। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও বিশ্বে শক্তিশালী মুদ্রার তালিকা প্রকাশ করেছে ফোর্বস। সংস্থাটির তালিকার শীর্ষ-১০ এ সবার নিচে অবস্থান করছে মার্কিন ডলার।
বুধবার ১৭ জানুয়ারি এনডিটিভি’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ফোর্বস বিশ্বের ১০টি শক্তিশালী মুদ্রার একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। তালিকাটি ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত মুদ্রার মানের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। এক্ষেত্রে মুদ্রার মান ওঠা-নামার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে বলে জানিয়েছে ফোর্বস।
প্রতিবেদনে বলা হয়, তালিকায় প্রথমস্থানে রয়েছে কুয়েতি দিনার। এক কুয়েতি দিনার’র মান বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৫৭.০৪ টাকা এবং ৩.২৫ মার্কিন ডলার। তালিকায় এরপরের স্থান বাহরাইন দিনার। যার মূল্য ২৯১.৬২ টাকা বা ২.৬৫ মার্কিন ডলার।
এর পরে তালিকায় রয়েছে ওমানি রিয়াল। যার মূল্য ২৮৫.৫১ টাকা বা ২.৬০ মার্কিন ডলার। তারপর যথাক্রমে: জর্ডানিয়ান দিনার, যার মূল্য ১৫৪.৯৩ টাকা বা ১.১৪১ ডলার। জিব্রাল্টার পাউন্ড, যার মূল্য ১৩৯.০৮ টাকা বা ১.২৭ ডলার। ব্রিটিশ পাউন্ড, যার মূল্য ১৩৯.৪৭ টাকা বা ১.২৬ ডলার। ক্যারিনিয়ান দিনার, যার মূল্য ১.২০ ডলার। সুইস ফ্রাঙ্ক, যার মূল্য ১২৭.৩৪ টাকা বা ১.১৭ ডলার এবং ইউরো, যার মূল্য ১১৯.৫৮ টাকা বা ১.০৯ ডলার।


প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন ডলার তালিকার শেষ স্থানে রয়েছে, এক মার্কিন ডলারের মূল্য ১০৯.৯১ টাকা।
র্যাঙ্কিং ব্যাখ্যা করে ফোর্বস বলেছে, মার্কিন ডলার বিশ্বব্যাপী ব্যাপকভাবে ব্যবসা করা মুদ্রা এবং এটি প্রাথমিক রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে অবস্থান করে। এর জনপ্রিয়তা সত্ত্বেও, এটি বিশ্বের শক্তিশালী মুদ্রাগুলোর মধ্যে ১০তম স্থানে রয়েছে।
১৯৬০ সালে চালু হওয়ার পর থেকে ক্রমাগতভাবে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান মুদ্রা হিসেবে স্থান পেয়েছে কুয়েতি দিনার। মুদ্রার সাফল্যের পেছনের কারণ হল, কুয়েতের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, যা তার তেলের রিজার্ভ এবং ট্যাক্স- দ্বারা চালিত হয়।
ফোর্বস আরও বলেছে, সুইস ফ্রাঙ্ক, সুইজারল্যান্ড এবং লিচেনস্টাইনের মুদ্রা, ব্যাপকভাবে বিশ্বের সবচেয়ে স্থিতিশীল মুদ্রা হিসেবে বিবেচিত হয়।





