ঢাকা, ১৫ মার্চ – সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচে পাকিস্তানকে ১১ রানে হারিয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ২৯১ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দারুণ লড়াই করলেও শেষ পর্যন্ত পেরে ওঠেনি সফরকারীরা। এর মধ্য দিয়ে ২০১৫ সালের পর আবারও পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা ওয়ানডে সিরিজ জয়ের গৌরব অর্জন করল মেহেদি হাসান মিরাজের দল।
টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা করে বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতে সাইফ ও তানজিদ হাসান তামিম ১০৫ রান যোগ করেন।
সাইফ ৩৬ এবং নাজমুল হোসেন শান্ত ২৭ রান করে ফিরে যান। তবে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। ৯৮ বলে তিন অঙ্ক ছোঁয়া এই বাঁহাতি ব্যাটার শেষ পর্যন্ত ১০৭ রানে আউট হন। তার ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৭টি ছক্কার মার।
চতুর্থ উইকেটে লিটন কুমার দাস ও তাওহীদ হৃদয় ৬৮ রানের দারুণ একটি জুটি গড়েন। লিটন ৪১ রানে আউট হলেও হৃদয় ৪৪ বলে ৪৮ রানে অপরাজিত থাকেন। শেষ দিকে আফিফের অপরাজিত ৫ রানের সুবাদে বাংলাদেশ বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়।
পাকিস্তানের পক্ষে হারিস রউফ তিনটি এবং শাহিন শাহ আফ্রিদি ও আবরার একটি করে উইকেট নেন। ২৯১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই বাংলাদেশি পেসারদের তোপের মুখে পড়ে পাকিস্তান। মাত্র ১৭ রানেই প্রথম তিন উইকেট হারায় তারা।
তাসকিন আহমেদ ইনিংসের প্রথম ওভারেই সাহিবজাদা ফারহানকে এবং নিজের দ্বিতীয় ওভারে মোহাম্মদ রিজওয়ানকে সাজঘরে ফেরান। মাঝে নাহিদ রানা তুলে নেন মাজ সাদাকাতকে। এরপর গাজি ঘুরি ও আব্দুল সামাদ মিলে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও তারা যথাক্রমে ২৯ ও ৩৪ রান করে বিদায় নেন।
একশর আগেই ৫ উইকেট হারানো পাকিস্তানের হাল ধরেন সালমান আলি আগা এবং অভিষিক্ত সাদ মাসুদ। এই জুটি ৭৯ রান যোগ করার পর মুস্তাফিজুর রহমানের দুর্দান্ত ডেলিভারিতে ৩৮ রান করে বোল্ড হন মাসুদ। এরপর ফাহিম আশরাফকে ৯ রানে বোল্ড করে পাকিস্তানের ঘুরে দাঁড়ানোর আশা শেষ করে দেন তাসকিন।
সালমান আলি আগা এক প্রান্ত আগলে রেখে দলকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত ১১ রানের হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় পাকিস্তানকে। বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ সর্বোচ্চ চারটি উইকেট শিকার করেন।
এনএন/ ১৫ মার্চ ২০২৬






