কাতার বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে রোনালদোর জায়গায় খেলতে নেমে হ্যাটট্রিক করেছিলেন রামোস। ২৫ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার এবারের আসরের শেষ বত্রিশে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষেও বদলি নেমে গোল করেছিলেন। তাকে না খেলানোর বিষয়ে পর্তুগাল কোচ বলেন, ‘অতিরিক্ত সময়ে হয়তো গনসালো রামোসকে ব্যবহার করার সুযোগ আসত। কিন্তু ৯০ মিনিট পর্যন্ত দলের কাঠামো ঠিক রাখাই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তখন দলের সর্বোচ্চ গোলদাতাকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়ার প্রশ্নই ওঠেনি।’
ষষ্ঠ বিশ্বকাপে ২৭তম ম্যাচ খেলতে নামা রোনালদো পুরো ম্যাচেই একপ্রকার নিষ্প্রভ ছিলেন। তবু অধিনায়কের প্রশংসাই ঝরেছে মার্তিনেজের কণ্ঠে, ‘আমি যখন পর্তুগালের দায়িত্ব নিয়েছিলাম, তখন ক্রিস্টিয়ানোকে নিয়ে অনেক সংশয় ছিল। কিন্তু সে শুধু গোল বা অ্যাসিস্টে নয়, প্রতিশ্রুতি, নিবেদন আর ফুটবলকে যেভাবে ধারণ করে, সব দিক থেকেই অনুকরণীয় একজন হয়ে উঠেছে। তাকে উদ্যাপন করা উচিত।’
আল নাসর তারকাকে নিয়ে মার্তিনেজ আরও বলেন, ‘আমরা ফুটবলের এক আইকনকে নিয়ে কথা বলছি। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মতো খেলোয়াড় খুব বেশি নেই। এই বিশ্বকাপে সে যা করেছে, তার জন্য আমাদের কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। খেলোয়াড় হিসেবে, অধিনায়ক হিসেবে, এমনকি মানুষ হিসেবেও সে আমাদের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।’
সংবাদ সম্মেলনে স্প্যানিশ এই কোচ জানান, পর্তুগাল দলকে বিদায় জানাতে চলেছেন তিনি, ‘পর্তুগালে আমি বিশ্বকাপ জিততে এসেছিলাম। সেটা হয়নি। এখন আর চালিয়ে যাওয়ার মানে হয় না। এখানেই আমার শেষ।’





