রুপা খাতুনের পড়াশোনায় বাদ সেধেছিল দারিদ্র্য। দশম শ্রেণির পর আর এগোয়নি প্রাতিষ্ঠানিক বিদ্যা। এরপর তাঁর বিয়েও হয়ে যায়। পরে একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানে (এনজিও) কিছুদিন কাজ করেছিলেন। সেখানে চাকরি চলে গেলে শিশুদের নিয়ে খুলে বসেন একটি পাঠশালা। এলাকার মন্দিরের বারান্দায় অক্ষরজ্ঞান দেন তাদের। বেতন নেন জনপ্রতি ১৫০ টাকা। এই বেতনই রুপার পরিবারের আয়ের বড় একটি অংশ। খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় লাইন বিল পাবলা গ্রামে রুপার সেই পাঠশালার ছবিগুলো তুলেছেন সাদ্দাম হোসেন।
Related Posts

সুলিভানের জোড়া গোলে পাকিস্তানকে হারাল বাংলাদেশ
March 24, 2026



বিক্রি হয়ে গেল রাজস্থান রয়্যালস
March 24, 2026
