বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের নেতৃত্ব থেকে বাদ পরেছেন মেহেদি হাসান মিরাজ। তার জায়গায় ওয়ানডে দলের অধিনায়ক হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে লিটন কুমার দাসকে। লিটন আগে থেকেই বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক।
বুধবার (২৯ জুলাই) বোর্ড মিটিং শেষে সাংবাদিকদের এমন কথা জানান বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল। মূলত তিন ফরম্যাটে তিন অধিনায়ক না রেখে সাদা বলে একজন আর রঙিন বলে একজন মিলে দুই অধিনায়ক চায় বিসিবি, যাতে দল পরিচালনা তুলনামূলক সহজ হয়।
তামিম জানালেন, সেই চিন্তা থেকেই মিরাজকে বাদ দিয়ে টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাসকে ওয়ানডে দলের নেতৃত্ব দেওয়া হয়েছে। রঙিন পোশাকের ক্রিকেট অর্থাৎ ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলে সহ-অধিনায়ক হিসেবে রাখা হয়েছে তাওহীদ হৃদয়কে। আর টেস্ট দলের অধিনায়ক হিসেবে থাকবেন যথারীতি নাজমুল হোসেন শান্ত।
তামিম ইকবাল বলেন, ‘আমরা তিন সংস্করণে দুজন অধিনায়ক রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি সাদা বল ও লাল বলে আলাদা অধিনায়ক থাকা প্রয়োজনও। বোর্ডও এতে একমত হয়েছে।’
তবে মিরাজের নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্জনও স্মরণ করেছেন তামিম। বোর্ড সভাপতি বলেন, ‘মিরাজ অত্যন্ত সফল অধিনায়ক। গত কয়েকটি সিরিজে সে খুব ভালো করেছে। কিন্তু আমি মনে করি মিরাজকে একজন পারফরমার হিসেবে আমাদের বেশি প্রয়োজন। তাঁকে আমরা ব্যাটিং ও বোলিংয়ে যেভাবে দেখতে অভ্যস্ত, বর্তমানে তাতে কিছুটা ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। আমরা চাই সে তার পূর্ণ ছন্দে ফিরে আসুক।’
নাজমুল হোসেন শান্তকে সরিয়ে ২০২৫ সালে জুনে ওয়ানডে দলের নেতৃত্ব দেওয়া হয় মেহেদি হাসান মিরাজকে। সেই সময় থেকে বাংলাদেশকে ২৪ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন মিরাজ, তাতে জয় ১০ ম্যাচে। মিরাজের নেতৃত্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টানা চার ওয়ানডে সিরিজ জিতে বাংলাদেশ। তবে বিদেশের মাটিতে ভালো ফল এনে দিতে পারেনি মিরাজের দল। সম্প্রতি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হেরেছে বাংলাদেশ।
তামিম বলেছেন, খেলোয়াড় মিরাজকে আরও সতেজ করে চায় বোর্ড। সেটাও তাকে সরিয়ে দেওয়ার একটা কারণ। বিষয়টি নিয়ে মিরাজের সঙ্গে সবার আগে কথা বলা হয়েছে এবং মিরাজ তাতে সম্মত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি।




