কলকাতা, ৩০ জানুয়ারি – টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর হেনস্থার অভিযোগকে কেন্দ্র করে আলোচিত ঘটনায় গ্রেফতার তনয় শাস্ত্রীসহ তিনজনকে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার বনগাঁ আদালতে তাদের হাজির করা হলে বিচারক মোহম্মদ তারিক ফেরদৌস এই নির্দেশ দেন। জানা গেছে, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি আবার তাদের আদালতে তোলা হবে।
বৃহস্পতিবার নিজ বাড়ি থেকে তনয় শাস্ত্রীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বনগাঁ পুলিশ জেলার সুপার দীনেশ কুমার জানিয়েছিলেন, শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) তাদের আদালতে তোলা হবে। সেই অনুযায়ী দুপুরে অভিযুক্তদের বনগাঁ আদালতে নেওয়া হয় এবং বেলা সাড়ে ৩টার দিকে বিচারকের এজলাসে পেশ করা হয়।
শুনানির সময় বনগাঁ থানার পুলিশ অভিযুক্তদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়। তবে আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দিয়ে নির্দেশ দেন, নির্ধারিত তারিখে আবার আদালতে হাজির করা পর্যন্ত অভিযুক্তরা সংশোধনাগারেই থাকবেন।
ঘটনার শুরু গত রোববার। ওই দিন বনগাঁর নয়া গোপালগঞ্জ এলাকায় একটি মঞ্চানুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন মিমি চক্রবর্তী। অভিনেত্রীর অভিযোগ, অনুষ্ঠান চলাকালীন তাকে ‘অভদ্রভাবে’ মঞ্চ থেকে নেমে যেতে বলা হয়। পরে তিনি ই-মেইলের মাধ্যমে স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মিমির অভিযোগের তদন্ত করতে তনয়ের বাড়িতে গেলে পুলিশকে সরকারি কাজে বাধা দেওয়া হয়। এই অভিযোগেই তনয় শাস্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে মিমির করা অভিযোগের তদন্তও আলাদাভাবে চলমান রয়েছে।
এদিকে শুরু থেকেই পুরো ঘটনা অস্বীকার করে আসছেন তনয় শাস্ত্রী। এক সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, মিমি অনুষ্ঠানে দেরিতে পৌঁছেছিলেন এবং নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অনুষ্ঠান শেষ করতেই তাকে মঞ্চ খালি করতে বলা হয়েছিল। তার দাবি, সেখানে কোনো ধরনের খারাপ আচরণ করা হয়নি।
তদন্ত এখনো চলমান থাকায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত কিছু বলতে রাজি হয়নি পুলিশ। আগামী শুনানির দিকেই এখন নজর সংশ্লিষ্ট মহলের।
এনএন





