মুসার স্ত্রী ফেরদৌস আকতার বলেন, ‘মা–বাবার কবর জিয়ারত করতে গিয়েছিল, মানুষটাকে তারা মেরে ফেলল। আমি দুই শিশুসন্তান নিয়ে এখন কোথায় যাব। একজন মানুষকে এভাবে মসজিদের সামনে পিটিয়ে মেরে ফেলা যায়? আমি এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহেদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, নিহত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করলে আসামিদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




