এর অন্যতম প্রধান কারণ হলো, মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রীসহ মিজোরাম ও নাগাল্যান্ডের সামাজিক সংগঠন এই সীমান্ত বন্ধের বিরোধিতা করে আসছে। গত সপ্তাহে মিজোরামের সবচেয়ে বড় সামাজিক সংগঠন ও নাগাল্যান্ডের একটি যুব সংগঠন বিবৃতি দিয়ে বলেছে, মিয়ানমার ও ভারতের সীমান্ত বন্ধ করা যাবে না। এর আগে জানুয়ারির গোড়ার দিকে মিজোরামের নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী সীমান্ত বন্ধের বিরোধিতা করেন।
এতে বিপদে পড়ছে ভারত সরকার। কারণ, একদিকে কুকি জঙ্গিরা ভারতে ঢুকছে বলে মণিপুরের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করছে। অন্যদিকে ধারাবাহিকভাবে মিয়ানমার থেকে সেখানকার সেনাবাহিনীর সদস্যরা ভারতে এসে আশ্রয় নিচ্ছেন। গত দুই দিনে রাখাইন প্রদেশ থেকে মিয়ানমারের অন্তত ২৭৮ সেনাসদস্য ভারতে ঢুকেছেন। তাঁরা বাংলাদেশ, মিজোরাম ও মিয়ানমারের ত্রিপক্ষীয় সীমান্ত দিয়ে মিজোরামে প্রবেশ করেছেন।
গত নভেম্বর থেকে এ পর্যন্ত মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ৬৭৬ সদস্যকে ভারত সে দেশে ফেরত পাঠাতে সক্ষম হয়েছে।




