নেইমারের কান্না থামছিল না। সতীর্থরাও বিষণ্ন ছিলেন ব্রাজিলের বিদায়ে। সেই তারা পর্যন্ত এসে সান্ত্বণা দিচ্ছিলেন নেইমারকে। ব্রাজিলের এই তারকা আগেই বলেছিলেন, এটাই তার শেষ বিশ্বকাপ। নরওয়ের কাছে হারের পর ইঙ্গিত দিলেন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায়ের।
ব্রাজিলের জার্সিতে ২০১০ সালে নেইমারের শুরুটা হয়েছিল নিউজার্সিতে। একই শহরে ১৬ বছর পর আবেগি কণ্ঠে নেইমার বলছিলেন,‘ আমি চেষ্টা করেছি। সর্বোচ্চটাই দিয়েছি নিজের। এই মেটলাইফ স্টেডিয়ামেই আমার শুরু হয়েছিল, আর শেষ হলো এখানেই।’
নেইমারের এই আকস্মিক বিদায়বার্তা একটি যুগের অবসান যেন। কোটি কোটি ভক্তের এই স্বপ্ন সারথি ব্রাজিলের হয়ে করেছেন সবচেয়ে বেশি ৮০ গোল। তবে চোটের জন্য এবারের বিশ্বকাপে বদলি হয়ে খেলেছেন মাত্র ২ ম্যাচ। তাও বদলি হিসেবে। তিনি জাতীয় দলেই ফিরেছিলেন সেই ২০২৩ সালের পর।
২০১০ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেকের পর চারটি বিশ্বকাপ খেলেছেন নেইমার। বিশ্বকাপে তার গোল ৯টি। এছাড়া দুটি অলিম্পিক গেমসেও খেলেছেন নেইমার। ২০১৬ সালে ব্রাজিল ঐতিহাসিক স্বর্ণপদক জিতে তার নেতৃত্বেই।



