বেনামি ঋণের আলাদা হিসাব হয় না। বেনামি ঋণের পরিমাণ কত, তা বের করতে হবে। তাহলে বোঝা যাবে, খেলাপি ঋণ প্রকৃত অর্থে কত। বেনামি ঋণের দায়ভার ব্যাংকারদের ওপর পড়ে না। কারণ, ব্যাংকারদের বাধ্য করা হয় এসব ঋণ দেওয়ার জন্য। এর সঙ্গে ব্যাংকের উদ্যোক্তারা যুক্ত। দেশে খেলাপি ঋণ ক্যানসারে রূপ নিয়েছে। সময়মতো এর চিকিৎসা না নিলে তা দুরারোগ্য হয়ে যাবে।
ফারুক মঈনুদ্দীন বলেন, প্রতিবেশী ভারত ১৪ বছর আগে ইচ্ছাকৃত খেলাপি ধরতে আইন করেছে। কিন্তু আমরা এটা করতে পারিনি। কারণ, সুবিধাভোগী পক্ষ এটা চায়নি।
দেশে এখন ৫-১০ লাখ টাকার বেশি সব লেনদেন ব্যাংকের মাধ্যমে করার বাধ্যবাধকতা আরোপ করা উচিত। এতে কর ফাঁকি বন্ধ হবে বলে মনে করেন ফারুক মঈনুদ্দীন।
অর্থনীতিতে নতুন সরকারের নানা চ্যালেঞ্জ আছে। এগুলোকে সরকার চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করছে কি না, তা বড় বিষয়। সরকার শক্ত হাতে এসব বিষয়ে পদক্ষেপ নিচ্ছে কি না, অর্থনীতিতে স্বস্তি ফেরানোর বিষয়টি তার ওপর নির্ভর করবে বলে মত দেন ফারুক মঈনুদ্দীন।
ফারুক মঈনুদ্দীন বলেন, দেশের সড়কে নামলে বোঝা যায়, আইনের শাসন কতটা কাজ করে। দেশের মানুষের নৈতিক মানের অবক্ষয় হয়েছে, মূল্যবোধও কমে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের সমস্যাগুলো নিয়ে কারও বোধোদয় হবে কি না, সেটাই বড় বিষয়।



