
ঢাকা, ৩১ ডিসেম্বর – ২০২৩ সালে দেশে প্রায় চার শাতধিক রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় ৪২ জনের প্রাণহানি হয়েছে। আর এসব ঘটনায় ৪ হাজার ৭৭১ জন আহত ও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
একইসঙ্গে বিদায়ী বছরে মুখোশ পরে গুপ্ত হামলার মতো মানবাধিকার লঙ্ঘনের নতুন ঘটনারও আবির্ভাব হয়েছে। রাতে বা নির্জন রাস্তায় এসব ঘটছে। যার শিকার হচ্ছেন বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা।
এছাড়াও রাজনৈতিক সহিংসতা, হানাহানি এবং বিএনপিসহ বিরোধী নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে গায়েবি মামলা দায়ের ও এসব মামলায় তাদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি সাজা দেওয়ার ঘটনাও বেড়েছে।
রোববার (৩১ ডিসেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ২০২৩: এমএসএফের পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় সংগঠনটি। সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন এমএসএফের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অ্যাডভোকেট সাঈদুর রহমান।
তিনি জানান, চলতি বছরে নির্বাচনি সহিংসতার ১৩৮টি ঘটনায় ১০ জন নিহত হন। মুখোশ পরে গুপ্ত হামলার ঘটনায় ৩ জন নিহত হয়েছেন।
মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের (এমএসএফ) প্রতিষ্ঠাতা সুলতানা কামাল বলেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় রাষ্ট্র যে খুব বেশি মনোযোগী হয়েছে, এ কথা আমরা বলতে পারি না। যখন আমরা মানবাধিকারের কথা বলছি সরকার অনেক বেশি ডিফেন্সিভ কথাবার্তা বলেছে, আক্রমণাত্মক কথাবার্তা বলেছে। যারা মানবাধিকার নিয়ে কথা বলেছে তাদের একটি বৈরিতায় জায়গায় নিয়ে গেছে।
রাষ্ট্র মানবাধিকার সুরক্ষার কোনো দায়দায়িত্বে নেই। বরং মনে হয়েছে মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাদের বিরক্ত করেছি, তারা অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। তারা মানবাধিকার সুরক্ষার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ কখনো গ্রহণ করেনি।
সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল
আইএ/ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩





