পরীক্ষাকেন্দ্রটির সচিব ফরিদ আহমদ প্রথম আলোকে বলেন, বাবার লাশ হাসপাতালে রেখে মেয়েটি এখন পরীক্ষার হলে, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। শিক্ষকেরা মেয়েটিকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছেন এবং মেয়েটি যাতে ভালোভাবে পরীক্ষা শেষ করতে পারে, সেদিকে খেয়াল রাখছেন।
ছদাহা ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মুজিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, বাবার লাশ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেখে তাসমিন আক্তার পরীক্ষা দিতে কেন্দ্রে গিয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশটি বাড়িতে আনার চেষ্টা চলছে।



