ছালেহা বেগম নামে এক নারী বলেন, দুজনের মৃত্যুর ঘটনায় সবাই আতঙ্কিত। এ কারণে বাড়ি ছেড়ে বোনের বাড়ি যাচ্ছেন। বেতবুনিয়া বাজারের ব্যবসায়ী শামশুল আলম বলেন, মিয়ানমার থেকে একের পর এক মর্টার শেল ও গুলি এসে পড়ছে বাড়িঘরে। এ জন্য পরিবার নিয়ে মেয়ের বাড়িতে যাচ্ছেন।
ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ প্রথম আলোকে বলেন, গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করছে। নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে কেউ কেউ অন্যত্র চলে যাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ ঝুঁকি নিয়ে এলাকায় আছেন।
গতকাল ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু ক্যাম্পপাড়া, মাঝেরপাড়া, কোনারপাড়া এলাকার মানুষ আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাচ্ছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সীমান্ত এলাকার সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শান্তনু কুমার দাশ।





