বরিশালের ৩ উপজেলা দুর্গম

বরিশালের ৩ উপজেলা দুর্গম

আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ-আনসারসহ বিভিন্ন বাহিনীর ১৫ থেকে ১৭ জন করে সদস্য মোতায়েন থাকবেন।

বরিশাল জেলার মধ্যে হিজলা, মুলাদী ও মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলাকে দুর্গম উপজেলা হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বরিশাল মেট্রো এলাকার বাইরে প্রতিটি সাধারণ ভোটকেন্দ্রে অস্ত্রসহ দুজন পুলিশ সদস্য, একজন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।

তবে কেন্দ্রের বাইরে সশস্ত্র বাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র‌্যাব ভ্রাম্যমাণ ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। এ ছাড়া পুলিশ সহযোগী ও আনসার বাহিনীও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। উপকূলীয় এলাকায় নৌ-বাহিনী ও কোস্টগার্ড দায়িত্বে থাকবে।

বরিশাল জেলায় ৬ টি আসনে মোট কেন্দ্র রয়েছে ৮২৭ টি। এই কেন্দ্রগুলোকে সাধারণ ও বিশেষ দুটি ভাগে বিভক্ত করা হবে।

এ ছাড়া অস্ত্র বা লাঠিসহ আনসার ও ভিডিপির ৪ জন নারী ও ৬ জন পুরুষ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। অবশ্য গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) ভোটকেন্দ্রে একজন করে অস্ত্রধারী পুলিশ বাড়াবে। প্রতিটি কেন্দ্রেই চৌকিদার বা দফাদার দায়িত্ব পালন করবে। তবে মেট্রোপলিটন এলাকার সাধারণ ভোটকেন্দ্রে পুলিশের তিনজন করে সশস্ত্র সদস্য থাকবেন। পুলিশ কমিশনার এবং পুলিশ সুপার গুরুত্ব বিবেচনায় রিটার্নিং কর্মকর্তার পরামর্শে ভোটকেন্দ্রে পুলিশ ও আনসার সদস্য বাড়াতে পারবেন।

বরিশাল জেলার রিটার্নিং অফিসার মোঃ শহিদুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, পরিপত্র ও সার্বিক পরিস্থিতি অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হবে।

তিনি বলেন, সাধারণ ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র নির্ধারণ করতে এখনো কাজ চলছে। খুব দ্রুত সাধারণ ও বিশেষ কেন্দ্র সিলেক্ট করা হবে।

Scroll to Top