বইমেলার জন্য একটি টাস্কফোর্স কমিটি আছে। কোনো বই নিয়ে মেলায় বিতর্ক তৈরি হলে বইটি মেলায় বিক্রি ও প্রদর্শনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে এই কমিটি। কমিটি এ রকম নির্দেশ দিলে বইটি যে প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে, তারা মেলায় বইটি প্রদর্শন বা বিক্রি করতে পারে না।
কয়েক বছর ধরে বইমেলার টাস্কফোর্স কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন অসীম কুমার দে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘বইমেলা চলাকালে যেসব বইকে মেলার নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করা হয়, সেসব বই বিক্রি ও প্রদর্শন বন্ধের ওপর নির্দেশনা আসে। তবে প্রকাশক মেলা ছাড়া অন্য কোনো মাধ্যমে অবশ্য সেই বই বিক্রি বা প্রদর্শন করতে পারেন।’
গত বইমেলায় নিষিদ্ধ তিনটি বইয়ের মধ্যে দুটির প্রকাশক ছিল নালন্দা ও আদর্শ প্রকাশনী। দুই প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেছে প্রথম আলো। তাঁরা বলেছেন, মেলায় নিষিদ্ধ হওয়া বই মেলা বাদে অন্য মাধ্যমে প্রদর্শন ও বিক্রি করতে পারছেন তারা। কোনো সমস্যা হয়নি।
২০১৬ ও ২০১৭ সালের বইমেলায় দুটি বই বিক্রি ও প্রদর্শন নিষিদ্ধ করার বিষয়টি নিয়ে কথা হয় বাংলা একাডেমি বইমেলা কমিটির তৎকালীন সচিব জালাল আহমেদের সঙ্গে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাংলা একাডেমি বইমেলার বই ছাড়া অন্য বই নিয়ে কথা বলে না। শুধু নতুন বইয়ের ক্ষেত্রেই সিদ্ধান্ত হবে এমন নয়, সংরক্ষণ নীতি অনুসারে অন্য দেশের লেখকের বই, কপিরাইট (গ্রন্থস্বত্ব) ছাড়া বই বা অন্য দেশে প্রকাশিত বইয়ের ক্ষেত্রেও এই বিধিনিষেধ দেওয়া হতে পারে।’




